
আগাম প্রস্তুতির কারণে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিবেদক, বাবুগঞ্জ (বরিশাল)
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৭

গ্রেফতার আসামিরা। ছবি: সংগৃহীত
বরিশালের বাবুগঞ্জে ঐশী আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগে স্বামী ও দেবরসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সোহেল খান (২৮) ও দেবর তানভীর খানকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন নিহতের বড় বোন মোসা. রুমা বেগম।
এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঐশীকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, হাসপাতালে নেয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।’
পুলিশ জানায়, মারা যাওয়া ঐশী আক্তারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর সাধুকাঠী গ্রামের শাহে আলমের মেয়ে। তার স্বামী সোহেল খান কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া গ্রামের কাদের খানের ছেলে। পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রি।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দাম্পত্য কলহের জেরে ঘটনার চার দিন আগে সোহেল তার স্ত্রীর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। এ সময় তাকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। এতে ঐশীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
নিহতের বড় বোন রুমা বেগম অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই ঐশীর ওপর তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এক মাস আগে সন্তান জন্ম দিলেও ঐশীকে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়নি। এছাড়া স্বামীর সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলা নিয়ে বিরোধের জেরে ঐশীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।