
সৌদি আরবে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:৫৬

গত ১৪ মার্চ, ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ঊর্ধ্বতন কমান্ডারদের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানারের দৃশ্য।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আবারও হামলা চালালে সংঘাত কখন এবং কীভাবে শেষ হবে, তা নির্ধারণ করবে তেহরান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খামেনি এ কথা বলেন। খবর আনাদোলু’র।
বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘শত্রুরা যদি আবারও সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তাহলে সেগুলোর সমাপ্তির সময় ও শর্ত নির্ধারণ করবে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এবং ইরানি জনগণ।’
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিবৃতি দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
এ সময় সম্ভাব্য যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ‘ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব’ দিতে সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দেন তিনি।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সব সম্পদ ও স্থাপনাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতের আওতায় আনতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশও দেন মোজতবা খামেনি।
এর আগে শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যদি ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ অঞ্চলে আবার কোনো সামরিক অভিযান চালান, তাহলে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলার জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালায়।
পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর, আনাদোলু এজেন্সি