
কুষ্টিয়ায় ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কুরআন বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২০:৫৪

প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবী শ্যামার কাছে প্রার্থনা করা হয়।
উদযাপন করা হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দেবী শ্যামার আরাধনায় সেজে উঠেছে মন্দির প্রাঙ্গণ। প্রদীপের আলো, পূজা-অর্চনা আর ভক্তদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর চারপাশ। ভক্তদের প্রত্যাশা, দেবীর আশীর্বাদে সবার জীবনে আসবে সুখ ও সমৃদ্ধি।
অন্ধকারের বুকে এ যেন দীপ্তিময় আলোকশিখা। প্রদীপের শিখার এই আলোকিত ভুবনই জানান দিচ্ছে অন্ধকার দূর করার প্রত্যয়, মঙ্গলের বার্তা। অমাবস্যার রাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবী শ্যামার কাছে এভাবেই প্রার্থনা জানান ভক্তরা।
তিথি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় দীপাবলির আনুষ্ঠানিকতা। সেখানে যোগ দেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী নারী ও পুরুষেরা। এ সময় প্রদীপ জ্বালিয়ে স্মরণ করেন স্বর্গীয় বাবা-মা, পিতৃপুরুষ ও স্বজনদের।
দেবী শ্যামার কাছে ভক্তদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার বাইরেও তাদের প্রত্যাশা, সমাজ থেকে দূর হোক হিংসা, বিদ্বেষ ও অশান্তি।
হিন্দু পুরাণমতে, অসুরদের অত্যাচারে দেবতা ও মানুষের জীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন অশুভ শক্তির বিনাশে দেবী দুর্গার কপাল থেকে আবির্ভূত হন মা কালী। তাঁর এই রূপ শক্তি, সাহস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক।
এদিকে তিথি অনুযায়ী রাত ১২টায় মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। পূজা শেষে দেওয়া হবে পুষ্পাঞ্জলি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিতরণ করা হবে প্রসাদ।