
আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সোনমের
প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৪৪

ফাইল ছবি
কুষ্টিয়ায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। জ্বর, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে আসছেন রোগীরা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অনেকের শরীরে মিলছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। এতে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বাড়ছে চিকিৎসাসেবার চাপ। সীমিত জনবল নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই হাসপাতালে আসছেন রোগীরা। আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে বাড়তি চাপ সামলাতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি বাড়ির আশপাশ পরিস্কার রাখা জরুরি। কোথাও পানি জমে থাকলে তা অপসারণ করতে হবে এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। পাশাপাশি দিনের বেলায়ও মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। জ্বর দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আকুল উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রায় ৩৫০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এ অবস্থায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার বংশবিস্তার রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।