
মাঠ পুনরুদ্ধার দাবিতে শেকৃবির শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বাণিজ্য মেলার গেট-স্টল ভাঙচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৬

নির্ধারিত সময় মেনে বাস গন্তব্যে উদ্দেশ্যে রওনা করলেও যাত্রী তোলা হচ্ছে যত্রতত্র।
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে শুরু হয়েছে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম। প্রাথমিকভাবে ছয়টি রুটে ছয়টি কোম্পানির অধীনে চলছে ৭৮০টি বাস। নির্দিষ্ট রঙয়ে সাজানো এসব বাস পরিচালনা করছে কোম্পানিগুলো। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে উঠানো এবং নামানোর ক্ষেত্রে এখনো রয়ে গেছে পুরোনো সেই বিশৃঙ্খলা।
নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস থামানো, সারিবদ্ধভাবে যাত্রী ওঠানো এবং টিকিটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর কথা থাকলেও, দ্বিতীয় দিনেই দেখা গেছে নানা অনিয়ম।
নির্ধারিত সময় মেনে বাস গন্তব্যে উদ্দেশ্যে রওনা করলেও যাত্রী তোলা হচ্ছে যত্রতত্র। সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পুরোনো বাস দিয়ে কতটা কার্যকর হবে এই উদ্যোগ।
রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে রোববার (১ নভেম্বর) থেকে। এতে করে নিয়ম মেনে নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী নেয়ার কথা ছিল 'ভিআইপি' বাসের।
তবে আজিমপুর এলাকায় দেখা যায়, সিগনাল ছাড়াই দ্রুত রাস্তা পার হচ্ছিল 'ভিআইপি' পরিবহনের একটি বাস। হাতের ইশারায় বাসের গতি মন্থর করে হুমড়ি খেয়ে সে বাসে উঠছেন যাত্রী। অথচ সেখানে ছিল না বাসের নির্ধারিত কোনো স্টপেজ।
আজিমপুর থেকে গাজিপুরের উদ্দশ্যে রওনা দেয়া 'ভিআইপি' পরিবহন এবং মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের উদ্দশ্যে ছেড়ে যাওয়া 'সিটি সার্ভিস' বাস যথাসময়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার প্রবণতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে কোনো বাসেই ছিল না আলাদা টিকেটিং সিস্টেম। মালিক পক্ষের ভাষ্য, পুরোপুরি রেশনালাইজেশন পদ্ধতি অনুসরণ করতে তাদের আরও সময়ের প্রয়োজন।
পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো বাস দিয়ে শুধু কোম্পানিভিত্তিক চলাচল শুরু করলেই প্রকৃত রুট রেশনালাইজেশন সম্ভব নয়। প্রয়োজন আধুনিক বাস, স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায় ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা।