
সর্বজনীন পেনশন স্কিমের সর্বোচ্চ ১১.৭২ শতাংশ মুনাফা
প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪

এবার ১০ বছরের কুমারী কন্যা ঈশিতা চক্রবর্তীকে কুমারী রূপে পূজা করা হয়। ছবি: সময় সংবাদ
মহাষ্টমীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের গুরুচরণ রায়ের আখড়ায় টাউন সার্ব্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটির আয়োজনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে শান্ত্রীয় নানা আচার অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে দুর্গা দেবীকে কুমারী রূপে স্মরণ করা হয়।
কুমারী পূজাকে কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকেই পূজা মন্ডপে ভক্তদের ঢল নামে। এবার ১০ বছরের কুমারী কন্যা ঈশিতা চক্রবর্তীকে কুমারী রূপে পূজা করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া টাউন সার্ব্বজনীন পূজা মন্ডপে উপস্থিত গায়ত্রি সাহা, রাকেশ রায় ও সঞ্জয় সাহা জানান, দেবী দুর্গার একরূপ হচ্ছে কুমারী। স্বামী বিবেকানন্দ প্রথম বেলুড়মঠে ১৯০১ সালে কুমারী কন্যাকে দেবী রূপে পূজা করে ছিলেন। এরপর থেকে ভক্তকূলে কুমারী পূজার প্রচলন হয়ে আসছে। আমরা দেবীরূপী কুমারী মায়ের কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদের পরিবারের পাশাপাশি সকলকে ভাল রাখেন। এছাড়া মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি, মা যেন সকল অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
টাউন সার্ব্বজনীন দুর্গোৎসব পূজা মন্ডপের পুরোহিত প্রসেঞ্জিৎ চক্রবর্তী জানান, শাস্ত্রমতে কুমারী পূজার উদ্ভব হয় বানাসুর বা কোলাসুরকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে। কোলাসুর নামক অসুর এক সময় স্বর্গ-মর্ত্য অধিকার করে নেয়। কোলাসুর স্বর্গ-মর্ত্য অধিকার করায় বাকি বিপন্ন দেবগণ মহাকালীর শরণাপন্ন হন। সে সকল দেবগণের আবেদনে সাড়া দিয়ে দেবী মানবকন্যা রূপে জন্মগ্রহণ করে কুমারী অবস্থায় কোলাসুরকে হত্যা করেন। পুনর্জন্মে কুমারীরূপে কোলাসুরকে বধ করেন। এরপর থেকেই মর্ত্যে (পৃথীবিতে) কুমারী পূজার প্রচলন শুরু হয়।
এর আগে সকালে সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধি পূজায় ১০৮টি প্রদীপ প্রজ্জলন করার মধ্যদিয়ে শেষ হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। রাতে প্রতিটি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে ধুনচিনাচ। এই নাচে আরতিসহ নানা আয়োজন থাকছে শহরের প্রতিটি পূজা মন্ডপে। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দলে দলে মন্দির পরিক্রমা রয়েছে।