
নির্বাচনে সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন লজ্জাজনক: সিইসি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ছবি: সময় সংবাদ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই অন্যান্য নির্বাচনকেও গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। শুধু ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাচন নয়, সব নির্বাচনেই ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে কমিশন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে মনিটরিং সেল গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ভোটের মনিটরিং সেল পর্যবেক্ষণের পর সিইসি এসব কথা বলেন। মনিটরিং সেল পর্যবেক্ষণের সময় তার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।
সিইসি জানান, ইসি স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে। জাতীয় নির্বাচনের মতোই এই নির্বাচনকে গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন।
তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সমাধান করা হয়েছে। পুলিশ, প্রশাসন, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী ও সংস্থাকে নির্বাচনি দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছে।
সবার সহযোগিতা নিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চাই উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আমরা সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে উৎসবমুখর নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই। দেশে একটি সুন্দর ও ইতিবাচক নির্বাচনি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।
আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সেগুলো নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সমান অগ্রাধিকার দিয়ে এই উপনির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় তার ছেড়ে দেয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থীরা হলেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।