
আন্দোলনে সহিংসতা-ভাঙচুরের জন্য ভাড়ায় লোক নিয়োগ করা হয়েছে, দাবি শ্রমিক নেতাদের
সেলিয়া সুলাতানা
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬

চট্টগ্রাম বন্দরের ফাইল ছবি
রফতানি ও প্রবাসী আয়ে ভর করে দেশে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব, গত চার মাসে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ১ শতাংশ।
সামগ্রিকভাবে রফতানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত খাতেও রফতানি বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি আয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী পাট ও পাটজাত পণ্যে, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে, রাসায়নিক পণ্যে এবার ইতিবাচক ধারায় রফতানি বেড়েছে।
সব মিলে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রফতানি বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।
জুলাই-অক্টোবর সময়ে নিটওয়্যার রফতানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রফতানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারে বেড়েছে। মোট রফতানিতে এ দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রফতানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এসব খাতের রফতানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে।
হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রফতানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রফতানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
এদিকে রফতানি ছাড়াও অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থবছরের হিসেবে ১ হাজার ১৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৩ শতাংশ। নভেম্বর শুরু হয়েছে ৩৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রিজার্ভ নিয়ে।