
মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়: ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে যে ভিডিও প্রকাশ করল ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:৪৬

আবের কাওয়াস। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটের ১২ নম্বর আসনে জয় পেয়েছেন আবের কাওয়াস। ৯০ শতাংশ ভোট গণনার পর নিউইয়র্ক টাইমস তার জয় নিশ্চিত করে। গণনা হওয়া ভোটের ৭৫ শতাংশ পেয়েছেন তিনি।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন কাওয়াস। তিনিই প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী, যিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।
এর মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নির্বাচিত হওয়া ফিলিস্তিনি-আমেরিকানদের ছোট তালিকায় যুক্ত হলো আবের কাওয়াসের নাম।
জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ সংক্ষিপ্ত বার্তায় কাওয়াস লেখেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়েছি।’
নির্বাচনী প্রচারে কাওয়াসের স্লোগান ছিল, ‘মর্যাদায় বিনিয়োগ, ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই’।
‘মর্যাদায় বিনিয়োগ’ বলতে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সাশ্রয়ী আবাসনের পক্ষে তার অবস্থানকে বোঝানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই’ স্লোগানের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং যুদ্ধের পেছনে অর্থ ব্যয় বন্ধের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন কাওয়াস।
কাওয়াস ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার (ডিএসএ) সদস্য। গত বছর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে সংগঠনটির সদস্য জোহরান মামদানি ঐতিহাসিক জয় পাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সংগঠনটি অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে।
এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ডিএসএর ক্রমবর্ধমান প্রার্থীদের তালিকায় ছিলেন কাওয়াসও। তার প্রতি সমর্থন জানান বেশ কয়েকজন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তালিব।
কাওয়াসের এই জয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনপন্থী জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই