
অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশ, ইসলাম কী বলে?
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:১৭

ঋণ পরিশোধের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো একটি সুন্দর দোয়া রয়েছে।
দৈনন্দিন প্রয়োজনে মানুষ একে অপরের কাছ থেকে ঋণ নেয়। বিপদের সময়ে যিনি ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করেন, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উত্তম চরিত্রের পরিচয়। ইসলাম ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি ঋণদাতার জন্য কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করার শিক্ষাও দিয়েছে।
ঋণ পরিশোধের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো একটি সুন্দর দোয়া রয়েছে। দোয়াটি হলো,
بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالأَدَاءُ উচ্চারণ: বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফি আহলিকা ওয়া মা-লিকা, ইন্নামা জাযা-উস সালাফিল হামদু ওয়াল আদা-উ।
অর্থ: আল্লাহ আপনার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। ঋণের প্রতিদান হলো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং যথাযথভাবে তা পরিশোধ করা। (সুনানে নাসাঈ, ৪৬৮৩; সুনানে ইবনে মাজাহ, ২৪২৪)
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: িআল্লাহুম্মাকফিনি বি হালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, হারামের পরিবর্তে আপনার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করে দিন। আর আপনার দয়ায় আমাকে আপনি ছাড়া আর কারও মুখাপেক্ষী করবেন না।
এটি মূলত ঋণ মুক্তি এবং হালাল উপার্জনে অভাব দূর করার একটি অত্যন্ত বরকতময় দোয়া, যা হজরত আলী (রা.)-কে রাসূলুল্লাহ (সা.) শিখিয়েছিলেন। আপনি এটি নিয়মিত পাঠ করতে পারেন। এ বিষয়ে আরও জানতে পড়তে পারেন
ঋণ পরিশোধে উত্তম আচরণের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে ঋণ পরিশোধে সবচেয়ে সুন্দর আচরণ করে।’ (সহিহ বুখারি, ২৩৯৩; সহিহ মুসলিম, ১৬০১)
তাই ঋণ পরিশোধের সময় শুধু পাওনা বুঝিয়ে দেওয়াই নয়, বরং ঋণদাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তার পরিবার ও সম্পদের জন্য বরকতের দোয়া করাও আমাদের সুন্দর সুন্নাহভিত্তিক অভ্যাস হওয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি দিন। আমিন।