
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক কোটা জালিয়াতি চক্রের সন্ধান: বহু গ্রেফতার, ৩৪১টি পাসপোর্ট উদ্ধার
মোহাম্মদ আবদুল কাদের
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭

কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রোড ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট (জেপিজে) ও মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
একাধিক সীমান্ত তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে পরিচালিত এই অভিযানে ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, যানবাহনের নবায়নহীন রোড ট্যাক্স এবং ইনস্যুরেন্স কভারেজ না থাকার মতো একাধিক গুরুতর ট্রাফিক অপরাধ চিহ্নিত করা হয়। এ সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় এক বাংলাদেশি কর্মচারীকে আটক করা হলে ঘটনাস্থলে এক অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আটক কর্মচারীকে ছাড়িয়ে নিতে এক মালয়েশীয় নারীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, তিনি আটক ব্যক্তির বস এবং ওই কর্মচারীর বৈধ পারমিট রয়েছে।
কেবল গাড়ি সার্ভিসিংয়ের জন্য কার ওয়াশে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি কর্মচারীসহ ব্যবহৃত গাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার জোর দাবি জানান।
তবে অভিযান পরিচালনকারী কর্মকর্তারা ওই কর্মচারীর কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট ও নিশ্চিত করলে পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। নথিপত্র সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাদের দাবি প্রত্যাখ্যাত হলে ব্যবসায়ী অসন্তোষ প্রকাশ করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
সবশেষে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।