
গত আট মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:২০

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সায়েদ আলীকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে নেয়া হচ্ছে। ছবি: সময় সংবাদ
ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে এক বৃদ্ধকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। উভয় মামলায় আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত বৃদ্ধ সায়েদ আলী (৭৬) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়। অপরদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম (৩৩) পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ অক্টোবর নিখোঁজ হয় নগরকান্দা উপজেলার ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরী। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা। পরে ১৪ অক্টোবর ওই কিশোরী ফোন করে পরিবারকে জানায়, তাকে অপহরণ করে ঢাকায় আটকে রাখা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর কৌশলে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কিশোরীর সঙ্গে শরিফুলকে দেখতে পাওয়া যায়। পরে ভুক্তভোগী জানায়, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হলে একই বছরের ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। সাক্ষ্য ও শুনানি শেষে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শরিফুলকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অপরদিকে, ২০২৪ সালের ২৭ জুন রাতে মধুখালী উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালায় বৃদ্ধ সায়েদ আলী। ওই ছাত্রীর চিৎকারে তাকে ছেড়ে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনায় ৭ জুলাই মামলা করেন শিক্ষার্থীর মা। ২৬ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারকে দেয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভুইয়া রতন বলেন, ‘এই দুটো রায়ের মধ্য দিয়ে সমাজে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করি।’