
খুলনায় বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:৫১

গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ির তালা ভেঙে মালামাল লুটে নিচ্ছে চোরচক্র। ছবি: সময় সংবাদ
গাইবান্ধা জেলা শহরে দিনে ও রাতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চুরির উপদ্রব। গত দুই মাসের ব্যবধানে অর্ধশতাধিক বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটলেও কাউকে গ্রেফতার বা খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শহরের বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরের কালিবাড়ি পাড়া, মুন্সিপাড়া, মাস্টারপাড়া, মধ্যপাড়া, মালিপাড়া ও শাপলাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ চোরচক্রের তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সুযোগ বুঝে দিনের বেলা কিংবা গভীর রাতে বসতঘরের দরজা-জানালা অথবা তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। এমনকি দিনে বাড়ি ফাঁকা রেখে কাজে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন শহরবাসী।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শহরে মাদকের বিস্তার এবং পুলিশের টহল ও কার্যকর তৎপরতার অভাবেই অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। চোরদের শনাক্ত বা গ্রেফতার না করায় এবং মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় পুলিশের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ফলে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ভুক্তভোগী থানায় মামলা করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। চলতি বছর শহরে শতাধিক চুরির ঘটনা ঘটলেও মামলা হয়েছে মাত্র ১৫টি।
শহরের কালিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আমির মিয়া বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়িতে চুরি হচ্ছে। কিন্তু চোর শনাক্ত বা মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় মানুষ হতাশ হয়ে মামলা পর্যন্ত করছে না।’ আরেক বাসিন্দা সুজন মিয়া জানান, দিন কিংবা রাতে নিজের ঘরেও মানুষ এখন নিরাপদ বোধ করছে না। আতঙ্ক কাটাতে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশি টহল ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শরিফ আল রাজিব জানান, চুরি প্রতিরোধ ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।