
আইজেনকোটের সময় ২৮ দিন, কীভাবে মিলতে পারে আসন সমীকরণ?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:৩১

সম্প্রতি ইয়েমেন যুদ্ধ নতুন করে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশের একটি বাজারে শুক্রবার (৫ নভেম্বর) ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন। এ হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে দেশটির চলমান যুদ্ধে জড়িত দুই পক্ষ।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার গত ৫ অক্টোবর ইরানপন্থি হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযান শুরু করে। দেশটির লোহিত সাগর উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা হুতিরা দখলে নেওয়ার পর এ অভিযান শুরু করা হয়।
এরই মধ্যে এক মাস পেরিয়ে গেছে। যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় দেশটিতে মানবিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল জানিয়েছে, হুতিদের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস এবং দেশের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সংকটের কোনো সমাধান আসার আগে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
ইয়েমেন যুদ্ধে পরিস্থিতি সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে, তা তুলে ধরার পাশাপাশি এই যুদ্ধের পরিণতি কী হতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমি গত ৫ অক্টোবর এ অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন।
এর লক্ষ্য হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনর্দখল করা এবং রাজধানী সানা মুক্ত করা। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীটি হুতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ অভিযানে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বিমান সহায়তা দিচ্ছে দিচ্ছে। পাশাপাশি হুতিদের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে সরকারি বাহিনীর বিভিন্ন সামরিক জোট ও ইউনিট স্থল অভিযান পরিচালনা করছে।
লোহিত সাগর উপকূলীয় অঞ্চলে হুতিদের সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ ভাঙা এবং বাব আল-মানদেব প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এ অভিযানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সেপ্টেম্বরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা (মোখা) দখল করে নেয় হুতিরা।
সরকারি বাহিনী কতটা এলাকা পুনর্দখল করতে পেরেছে?
অভিযান শুরুর দিনই সরকারি বাহিনী ধুবাব ও বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশের কয়েকটি অবস্থান পুনর্দখলের দাবি করে। তবে ঠিক কতটা এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ছাড়া তাইজের পশ্চিমাঞ্চলের হাইফান ও আল-ওয়াজিয়া এলাকার পাশাপাশি কয়েকটি পাহাড়ি অবস্থান দখলের দাবি করে সরকারি বাহিনী।
১৩ অক্টোবরের মধ্যে মারিবেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে মাস ক্যাম্পের আশপাশে এবং হারিবের উত্তরে অগ্রগতির দাবি করে সরকারি বাহিনী।
তবে তাইজ প্রদেশে কিছু এলাকা হারিয়েছে তারা। এর ফলে হুতিরা শহরটিতে অবরোধ আরও জোরদার করে। এক মাস পূর্ণ হতে চললেও এই অবরোধের কারণে শহরটির স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখনো মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শুক্রবার সরকারি বাহিনী জানায়, তারা তাইজ প্রদেশের বেশ কয়েকটি এলাকা পুনর্দখল করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আল-নিদানি গ্রাম, শাব আল-সারারি, সানামাত এলাকার বড় একটি অংশ এবং জি আল-বারহ এলাকার রিবাত আল-কার্ন।
এ ছাড়া বিভিন্ন যুদ্ধফ্রন্টে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে ১ হাজার ২১১টি সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকারি বাহিনী। একই সঙ্গে লাহিজ প্রদেশের তুর আল-বাহাহ ফ্রন্টে নতুন কয়েকটি অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।
তবে ইয়েমেনের রাজধানী সানা পুনর্দখলের সক্ষমতা থেকে সরকারি বাহিনী এখনো অনেক দূরে বলে মনে করেন যুক্তরাজ্যের অ্যাবারডিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক থমাস বনি জেমস।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যদি হুতিদের পরাজিত করার অর্থ হয় সানা পুনর্দখল এবং তাদের শাসনের অবসান ঘটানো, তাহলে তা এখনই সম্ভব নয়। অদূর ভবিষ্যতেও এমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাগজে-কলমে সরকারি বাহিনীকে বেশ শক্তিশালী মনে হলেও তারা অনেকগুলো যুদ্ধফ্রন্টে ছড়িয়ে রয়েছে। তাদের সামরিক সরঞ্জামও পুরোনো।’
থমাস বনি জেমসের ভাষায়, ‘পাহাড় দিয়ে ঘেরা সানা প্রতিরক্ষার জন্য বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে সৌদি-আমিরাতের আরও শক্তিশালী একটি জোট সেখানে অভিযান চালিয়েও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি।’
থমাস বনি জেমস আল জাজিরাকে বলেন, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হুতিদের পুরোপুরি পরাজিত করা নয়; বরং তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানকে চূড়ান্ত বিজয়ের চেষ্টা হিসেবে দেখার চেয়ে হুতিদের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখাই বেশি যুক্তিযুক্ত। এর উদ্দেশ্য হলো, হুতিদের জন্য যুদ্ধের খরচ বাড়িয়ে দেওয়া এবং যেকোনো শান্তি চুক্তির আগে সৌদি আরবের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা।
তিনি আরও বলেন, ‘স্লোগান বা বড় বড় ঘোষণার চেয়ে আগামী তিন মাসে কী ঘটছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল জানায়, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী মোট ৪০ হাজার ৭৬১টি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
কাউন্সিলের দাবি, এসব অভিযানে প্রায় ২০ হাজার হুতি নেতা ও সদস্যকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয়েছে ৫ হাজারের বেশি যানবাহন।
এর আগে সামরিক কমান্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের প্রথম কয়েক সপ্তাহে ১৭ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। পুরো মাসজুড়ে প্রতিদিন হামলার সংখ্যা ছিল ৯৫১ থেকে ১ হাজার ২৭২টির মধ্যে।
গত মাসে ইয়েমেন সরকার আরও দাবি করে, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তাদের অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ জন হুতি সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন।
গত সপ্তাহে ইয়েমেন সরকার জানায়, ৫ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের অভিযানে ১৬ হাজার ১০০ জন হুতি যোদ্ধা ও কমান্ডার নিহত বা আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, হুতিরাও জানিয়েছে, সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার পর থেকে নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত তাদের ওপর মোট ৩ হাজার ৯৩০টি বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এসব পরিসংখ্যানের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
হুতিরা ‘আনসার আল্লাহ’ নামেও পরিচিত। আরবি ভাষায় এর অর্থ ‘আল্লাহর সাহায্যকারী’। সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার পর থেকে তাদের হামলায় শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন।
শুক্রবার তাইজ প্রদেশের আল-হাদারা বাজারে হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। ওই হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছেন। হতাহতদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আল-নাজিলি বলেন, ‘সন্ত্রাসী’ হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বাজারটিতে হামলা চালিয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন।
তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। তাদের দাবি, ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি আরবই এ হামলার জন্য দায়ী।
২০১৪ সালে রাজধানী সানা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর বিপুলসংখ্যক অস্ত্র নিজেদের দখলে নেয় হুতিরা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের কাছ থেকে বাইরের সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক কালোবাজারের ওপর নির্ভরতার কারণে হুতিদের সামরিক সক্ষমতা ক্রমেই বেড়েছে।
তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লাও আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ফলে সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে তারা। এমনকি গত জুনে ইসরাইলেও হামলা চালিয়েছে হুতিরা।
হুতিদের সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি ছিল শাবওয়া প্রদেশে। ওই হামলায় ইয়েমেনের সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৭০ জন নিয়োগপ্রত্যাশী নিহত হন।
সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে লড়াই অব্যাহত থাকায় ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয়বিষয়ক দপ্তর (ওসিএইচএ) শুক্রবার জানিয়েছে, গত আগস্টে সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার পর থেকে ইয়েমেনে ৩ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুতদের সবচেয়ে বেশি আশ্রয় নিতে হয়েছে তাইজ প্রদেশে।
ইয়েমেনে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত প্রতি পাঁচজনের দুজনের বেশি এখন তাইজে অবস্থান করছেন। শহরটিকে ঘিরে হুতিদের অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রায় ৮ লাখ মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সরবরাহ পৌঁছানো বন্ধ হয়ে গেছে।
তাইজ প্রদেশের অবরোধবিষয়ক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সালাহ আহমেদ গালেব আল-মাজিদি আল জাজিরাকে সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, ‘পরিস্থিতি বিপর্যয়কর।’
হুতিদের অবরোধের কারণে তাইজে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী, খাদ্য, জ্বালানি ও পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছানো যাচ্ছে না।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরটিতে অবশিষ্ট ডিজেলের মজুতও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। যে পরিমাণ ডিজেল রয়েছে, তা দিয়ে আর ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় চলতে পারবে।
জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ও চিকিৎসাকেন্দ্র বন্ধ করে দিতে হবে বলে সতর্ক করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে জরুরি চিকিৎসাসেবাও রয়েছে।
তাইজের স্বাস্থ্যবিষয়ক উপ-গভর্নর ইলান আবদুল হাও আল জাজিরাকে বলেন, জ্বালানির অভাবে প্রদেশটির প্রায় ৪০ শতাংশ হাসপাতাল ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো এখনো চালু রয়েছে, সেগুলোও সক্ষমতার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যবহার করে সেবা দিচ্ছে।
ইয়েমেনে শীত আসছে। একই সময়ে তাইজ শহরে অবরোধ আরও কঠোর হচ্ছে। ফলে সংঘাতের মধ্যে আটকে পড়া সাধারণ মানুষের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলে আল জাজিরাকে জানিয়েছেন থমাস বনি জেমস।
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তাইজের মানুষকে নিয়ে। অক্টোবরের শুরুতে হুতিরা শহরটি ঘিরে ফেলার পর থেকে ৮ লাখের বেশি মানুষ মানবিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সামনে শীত আসছে, মানবিক সহায়তার জন্য অর্থের সংকট রয়েছে, আর শহরটি অবরুদ্ধ। যুদ্ধ আরও বাড়লে সাধারণ ইয়েমেনিদের কী পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।’
ইয়েমেনের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই যুদ্ধ। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে হুতিরা।
থমাস বনি জেমস বলেন, ‘হুতিরা প্রায় প্রতিদিনই সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো সৌদি আরবও প্রকাশ্যে ইয়েমেনের ভেতরে আবার বোমা হামলা শুরু করেছে। দুই পক্ষই একে অপরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানছে। এভাবেই যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হয়।’
আল জাজিরাকে তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সংঘাতও ইয়েমেনকে বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে। একইভাবে ইয়েমেনের সংঘাতও আঞ্চলিক যুদ্ধের বিস্তার ঘটাতে পারে। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ইয়েমেন এখন ইরানকে ঘিরে বৃহত্তর সংঘাতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানে হামলা চালায়, তাহলে সৌদি আরবের ওপর চাপ বাড়াতে ইরান হুতিদের ব্যবহার করতে চাইবে।’
আল জাজিরা থেকে অনুদিত