
শিক্ষার্থীদের ‘শারীরিক শাস্তি’ দেওয়ার অনুমতি পাচ্ছেন ডেনমার্কের শিক্ষকরা
মোহাম্মদ আবদুল কাদের
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২৪

নেপালের সব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নেওয়ার অনুরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে মালয়েশিয়া। ছবি: সংগৃহীত
নেপালের সব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নেওয়ার অনুরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে মালয়েশিয়া। নেপাল সরকার তাদের সব অনুমোদিত এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সমান সুযোগ দেওয়ার দাবি জানালেও, মালয়েশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তারা তাদের পূর্বনির্ধারিত ২৫টি প্রধান এজেন্সি এবং ২৫০টি সাব-এজেন্সির মাধ্যমেই কর্মী নিয়োগ চালু রাখবে।
মালয়েশিয়ার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস)-এর আওতায় আগামী ৫ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত তালিকার বাইরের কোনো এজেন্সি কর্মী পাঠাতে পারবে না। মালয়েশিয়ার দাবি, এই পদ্ধতির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ দূর করা সম্ভব হবে।
দুই দেশের মধ্যে চলমান এই কূটনৈতিক বিরোধের কারণে আপাতত নেপাল থেকে নতুন কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গেছে। নেপালের শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত প্রতিটি এজেন্সিরই মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং সীমিত সংখ্যক এজেন্সির সিন্ডিকেট এই আইনের পরিপন্থি।
এর প্রতিবাদে অনেক নেপালি এজেন্সি ‘এফডব্লিউসিএমএস’ প্লাটফর্ম থেকে বেরিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছে এবং নেপাল সরকার নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে একাধিক কূটনৈতিক চিঠি আদান-প্রদান এবং টেলিফোন আলাপ হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সরকার দেশটির শ্রম বাজারে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে, যা সেখানে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৭ সালের জুন মাস থেকে দেশের সর্বনিম্ন মৌলিক মজুরি ১ হাজার ৭০০ রিংগিত থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার রিংগিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সম্প্রতি বাজেট পেশকালে এ ঘোষণা দেন।
মালয়েশিয়ার শ্রম আইন অনুযায়ী, এই ন্যূনতম মজুরির নিয়ম স্থানীয় শ্রমিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশসহ সব দেশের অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান বাড়াতেই এই মজুরি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে বার্ষিক ৫০ মিলিয়ন রিংগিতের কম লেনদেন করা মাইক্রো, স্মল ও মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজগুলোকে অবিলম্বে এই নিয়ম বাস্তবায়ন থেকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে।