
সংঘর্ষে প্রাণহানি: পুরুষশূন্য ৪০ বাড়িতে টানা তিন দিন লুটপাটের অভিযোগ
মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫

ফাইল ছবি
জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে বিশ্বজুড়েই বাড়ছে বায়ুদূষণের মাত্রা। এর প্রভাব থেকে মুক্ত নয় বাংলাদেশও। দীর্ঘদিন ধরেই জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বায়ুদূষণ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের মেগাসিটি ঢাকা। এ সময় শহরটির বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ২০৩, যা খুব অস্বাস্থ্যকর। তবে সময়ের সঙ্গে বায়ুমানের সূচক ওঠানামা করতে পারে।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বায়ুমান সূচক ৪৫৬, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ের দূষণ নির্দেশ করে। ঢাকা ছাড়াও খুব অস্বাস্থ্যকর বায়ুমানের তালিকায় রয়েছে ভারতের দিল্লি ও কলকাতা।
এদিকে, অস্বাস্থ্যকর বায়ুমানের তালিকায় রয়েছে পাঁচটি শহর। এগুলো হলো আফগানিস্তানের কাবুল, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, পাকিস্তানের করাচি, ইরাকের বাগদাদ ও উগান্ডার কামপালা।
অন্যদিকে, আটটি শহরের বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। শহরগুলো হলো চীনের চেংডু ও সাংহাই, নেপালের কাঠমান্ডু, মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, ভারতের মুম্বাই, নেদারল্যান্ডসের রটারডাম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।
একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তাৎক্ষণিকভাবে সেই তথ্য জানায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুমান সূচক বা একিউআইয়ের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে বাতাসের মান বিপজ্জনক বা দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ বাড়লে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। এ অবস্থায় দূষিত বাতাসে দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি বাইরে গেলে উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি।