
ছোটবেলা থেকে শিশুর মানি ম্যানেজমেন্ট শেখানো কতটা দরকার জানেন?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭

লিভার সিরোসিস হলে লিভারের স্বাভাবিক কোষের জায়গায় স্থায়ী ক্ষত তৈরি হয়। ফলে লিভারের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হতে পারে। এই রোগে অপুষ্টি ও পেশি ক্ষয়ও একটি বড় সমস্যা। তাই শুধু খাবার কমিয়ে দেওয়াই সমাধান নয়, বরং সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।
কী খাবেন?
১. পর্যাপ্ত প্রোটিন: মাছ, ডিম, মুরগি, দুধ-দই, ডাল, শিম ও অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। সিরোসিসে পেশি ক্ষয় রোধে পর্যাপ্ত প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ।
২. অল্প অল্প করে বারবার খাবার: দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা সিরোসিস রোগীদের জন্য ভালো নয়। ছোট ছোট মিল, ৩–৪ ঘণ্টা পরপর খাবার এবং প্রয়োজনে রাতে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস উপকারী হতে পারে।
৩. শাকসবজি, ফল ও পুষ্টিকর খাবার: সুষম খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফল, শস্য ও প্রয়োজনীয় ক্যালরি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সিরোসিসে অপুষ্টির ঝুঁকি অনেক বেশি।
কী খাবেন না বা কমাবেন?
১. অ্যালকোহল একেবারেই নয়: সিরোসিস থাকলে অ্যালকোহল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা জরুরি, কারণ এটি লিভারের ক্ষতি আরও বাড়াতে পারে।
২. অতিরিক্ত লবণ: পেটে পানি জমা বা পা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা থাকলে চিকিৎসক লবণ বা সোডিয়াম কমাতে বলতে পারেন। বিশেষ করে ascites থাকলে অনেক ক্ষেত্রে দৈনিক ২ গ্রামের কম সোডিয়াম লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে খাদ্য এত বেশি সীমিত করা যাবে না যাতে অপুষ্টি তৈরি হয়।
৩. কাঁচা বা আধা সেদ্ধ খাবার: কাঁচা বা কম রান্না করা মাছ, মাংস, শেলফিশ এবং দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। সিরোসিসে সংক্রমণ গুরুতর হতে পারে।
৪. নিজের ইচ্ছায় হারবাল বা সাপ্লিমেন্ট নয়: কিছু ভেষজ, সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধ লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো হারবাল পণ্য বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।
সিরোসিসে সবার খাদ্যতালিকা এক নয়। পেটে পানি, কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস বা অপুষ্টি থাকলে খাবারের পরিকল্পনাও বদলে যেতে পারে।