
মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে পরপর দুই ঝড়ের আঘাত, ৫ জনের মৃত্যু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৫৪

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কৃষ্ণসাগরে বুলগেরিয়ার উপকূলে দুটি জাহাজে ড্রোন হামলার পর উদ্ধারকাজ চলছে। ছবি: রয়টার্স
কৃষ্ণসাগরে বুলগেরিয়ার উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ডুবে গেছে। এ ঘটনায় জরুরি উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। জাহাজটির আরও ১১ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে। অন্য জাহাজটি থেকে ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ড্রোনের আঘাতে দুটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ডুবে গেছে। ড্রোনের উৎস অজ্ঞাত বলে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় জরুরি উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ।
তিনি বলেন, ঠিক এক সপ্তাহ আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সেবার একটি জাহাজ ডুবে যায় এবং অন্য জাহাজটি থেকে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ওই ঘটনায় ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
আজকের হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী রাদেভ বলেন, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে সহায়তা চেয়ে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলেও জানান তিনি।
হামলার জন্য কারা দায়ী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছেন রাদেভ। তিনি বলেন, ‘দায় নির্ধারণের মতো স্পষ্ট ও চূড়ান্ত প্রমাণ এখনো নেই। তবে যুক্তি বলছে, এর ফলে রুশ ফেডারেশন লাভবান হচ্ছে।’
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার রিয়েন এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে কৃষ্ণসাগর উত্তেজনা বৃদ্ধির আরেকটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।’
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বুলগেরিয়ার উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে জাহাজের নাবিকদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে এবং কৃষ্ণসাগরের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।
ভন ডার লিয়েন আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বুলগেরিয়ার পাশে রয়েছে। দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য উদ্ধারকর্মীদের ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে হামলার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে ইউরোপে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পোল্যান্ডের ওয়ারশতে চলমান নিরাপত্তা ফোরামে অংশ নিয়েছেন ইউরোপের কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের এড মিলিব্যান্ড, জার্মানির ইয়োহান ওয়াডেফুল এবং ইউক্রেনের আন্দ্রি সিবিহা।